-->

Realme C15 Price | রিয়াল মি সি-১৫ মূল্য ও কনফিগারেশন

Realme C15 Price and Specification |

প্রিয় দর্শক Realme আবারো আপনাদের জন্য বাজারে হাজির করেছে নতুন মডেলের একটি মোবাইল ফোন। যার ডাক নাম তারা দিয়েছে Realme C15. তো আজ আমরা ফোনটির বাংলাদেশের বাজার মূল্য ও পুরো সিস্টেম কনফিগারেশন এর বিস্তারিত আলোচনা ও সমালোচনা করবো।

Realme C15 Price in BD

ডিসপ্লে (DISPLAY) : ৬.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লেতে ব্যবহার করা হয়েছে স্ক্রিণ টু বডি রেশিও ৮১.৭ %। আর রেজুলেশন তো রয়েছেই HD+. তবে এই ফোনের আগের বংশধরা ফোনগুলোও এসেছিলো HD+ ডিসপ্লে নিয়ে। হয়তো তারা HD+ কে মনে প্রাণে পছন্দ করেন। তবে পিপিআই টা বেশি থাকলে ভালো হয়। আর এখানে রয়েছে ২৭০। হয়তো এইজন্যই সার্পনেছ (Sharpness) একটু ঘাটতি লক্ষ করা গেলো। তবে গরিলা গ্লাসের প্রটেকশন দেওয়া হয়েছে এটাতে। তবে এগুলোর উপর ভরসা করে বসে না থেকে ফোন যদি ক্রয় করেন তাহলে নিজ দায়িত্বে একটা ডিসপ্লে প্রটেক্টরও ক্রয় করবেন সুন্দর এই ফোনটার সুন্দরর্য সংরক্ষণের জন্য।

এই ফোনটার আগের যে মডেলটি বাজারে এসেছিলো C12 সেটার সাথে খুব একটা পার্থক্য নেই বললেই চলে। কিছু কিছু জিনিস সংযুক্ত করা হয়েছে নতুন করে। এর বাহিরে সবই বলা চলে সেই আগের মতোই রয়েছে। তাই তো একটি গানের লাইন এখানে গাওয়া যেতেই পারে। তুমি কি সেই আগের মতোই আছো নাকি অনেক খানি  বদলে গেছো। হ্যা বন্ধুরা এই বদলে যাওয়া C15 নিয়ে এখন যত কথা হবে। কেন সুন্দর বললাম ফোনটাকে তার একটা প্রমানও দিবো। ফোনের পেছনে দারুন একটা জিওমেট্রিক গ্রাডিয়েন্ট ডিজাইন রয়েছে যেটা আপনাকে দারুন একটা টেকচার উপহার দিবে। এতটুকু করেই সে ক্ষান্ত হবে না, আলো পরলে নানা রকম কালার পরিবর্তন করবে। আরও একটা ‍বিশেষ সুবিধা রয়েছে, এই টেকচারের কারনে আপনি যদি ময়লা হাতে ফোনটা ধরেন তবে ফোনে কোন ঘাম বা ময়লা লাগবে না।

কভারস এন্ড বাটনস (COVERS & BUTTONS): এর ডান দিকে রয়েছে পাওয়ার বাটন আর ভলিউম রকার। নিচের দিকে পেয়ে যাবেন ৩.৫ মিলিমিটারের হেড ফোন জ্যাক। লাউড স্পিকারগ্রিল, সাথে রয়েছে MICRO USB PORT. পাশাপাশি আরো রয়েছে একটি ডেডিকেটেড মাইক্রোফোন। বাম দিকে রওনা দিলে পাওয়া সীম কার্ড এবং ডেডিকেটেড সীম কার্ড স্লোড যা দিয়ে আপনি মোমোরী কার্ড এক্সপান্ড করতে পারবেন।

ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সর : ফোনটির ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সর স্পীড যথেষ্ট ফাস্ট।

প্রসেসর (PROCECCOR): এতে চিপ সেট ব্যবহার করা হয়েছে SNAPDRAGON 460 যেটা মূলত ১২ ন্যানো মিটারের। সিপিইউ হিসাবে পেয়ে যাবে অক্টাকর সিপিইউ যার চার টি 2.3 GHz কর্টেজ A53 এবং চারটি 1. 8 GHz কর্টেজ A53. জিপিও হিসাবে পাওয়া যাবে পাওয়ার ভিউয়ার GE8320. 

RAM : Realme C15 দুই টি ভিয়েন্টে বাজারে আসছে যার ৪ জিবি র‌্যাম তার সাথে ৬৪ জিবি রম। অপর টা হচ্ছে ৪ জিবি র‌্যাম তার সাথে ১২৮ জিবি রম।

সফটওয়্যার (SOFTWARE): সফটওয়্যার হিসাবে বরাবরের মতো ফোনটাতে ভূমিকা পালন করছে ANDROIAD - 10 আউট অফ দা বক্স, সাথে Realme UI 1.0.

গেম (GAME) : পাবজিতে বাই ডিফল্ড গ্রাফিক স্মুথ এবং ফ্রেম রেট পাবেন মিডিয়াম । কল অফ ডিউটি গ্রাফিক লো এবং ফ্রেম রেট মিডিয়াম দিতে পারবে। তবে ফ্রি ফায়ারে আল্ট্রা দিয়ে গেম প্লে করা যাবে খুবি ভালো ভাবে। তবে গেম গুলো লং টাইম রানে কিছুটা লেগ করা শুরু হয়ে যায়। কিন্তু একটা কথা মনে রাখতে হবে ফোনটি হলো এন্ট্রি লেভেলের একটি ফোন।

ওজন (WEIGHT) : ফোনটা বেশ মোটা সোটা যার কারনে ওজন হয়েছে ২১০ গ্রামের মতো। তবে সে এই শরীর নিয়েও হাতের ভেতর বেশ COMFORTABLE এবং ওজনও বেশ ব্যালান্স কোয়ালিটির। ফোনটা বেশ শক্ত পোক্ত ব্যবহার করলেই বুঝতে পারবেন সহজে ভাঙ্গার পাত্র সে নয়। 

ব্যাটারী (BETTARY) :  Realme প্রধান বৈশিষ্ট হলো হিউজ পাওয়ার সমৃদ্ধ ব্যাটারী সংযোজন করা। এটাতেও তাই করা হয়েছে। ৬০০০ Mha সমৃদ্ধ একটা ব্যাটারী ফোনটাতে রয়েছে। এই বিশাল পাওয়ার নিয়ে আপনি যদি হেভি USER ও হোন তবু দুই থেকে তিন দিন ব্যাটারী পাওয়ার ব্যাকআপ দিবে আপনাকে। আর নরমাল USER  এর ক্ষেত্রে বলা যেতে পারে একবার চার্জ দিয়ে চার দিনে চিন্তা মুক্ত থাকা যাবে।

দাম (PRICE) : অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি সহ ফোনটার দাম ধরা হয়েছে ১২,৯৯০ টাকা। বাংলাদেশের বিভিন্ন শপিং মল ও আউটলেট থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন ফোনটি।

সমস্যা সংক্রান্ত তথ্য : এন্ট্রি লেভেলের ফোন হিসাবে খুব একটা সমস্যা চোখে পড়েনি। এই মাঝে মাঝে এ্যাপস গুলো ওপেন হতে গিয়ে একটু দেরি করা। কিছু সামান্য লেগ, সাথে র‌্যাম এর কিছু দূর্বলতা এই সকল বিষয় আর কি। তবে এন্ট্রি লেভেলের একটা ফোন জন্ম গ্রহন করেই এই রকম ছোট খাটো সমস্যা নিয়ে।
SeeCloseComments
Cancel