প্রোস্টেট বা মূত্রসহলির গ্রন্থির সমস্যা

by admin on August 7th, 2011 under পুরুষের স্বাসহ্য

লক্ষণ ও উপসর্গ

সাধারণ লক্ষণঃ

১. বার বার পস্রাবের জরুরী তাগিদ অনুভব করা, এবং কখনও কখনও ব্যথা বা জ্বালা পোড়া হওয়া, মাঝে মধ্যে পস্রাব রক্তের মতো লাল হওয়া।

২. পস্রাবের গতি অত্যন্ত স্লথ হওয়া, ফোটায় ফোটায় পস্রাব নির্গত হওয়া।

৩. কখনও কখনও পস্রাব নিয়ন্ত্রণে অক্ষমতা।

প্রস্টেটের বড় হয়ে যাওয়াঃ

১. মাঝে মধ্যে মনে হওয়া যেন পুরোপুরি পস্রাব হয় নি, এখনও ব্ল্যাডারে পস্রাব রয়ে গেছে।

প্রস্টাটিটিজঃ

১. অণ্ডকোষ এবং মলদ্বারের মধ্যবর্তী সহানে ব্যথা হওয়া।

২. পস্রাবে জ্বালা পোড়া, পস্রাবের সাথে রক্ত নির্গত হওয়া।

৩. জ্বর এবং কাপুণি (প্রস্টাটিটিজ যখন খুবই তীব্র তখন)।

৪. শরীরের পেছনে নিচের দিকে ব্যথা হওয়া।

প্রস্টেট ক্যান্সারঃ

প্রাথমিক অবসহায় প্রায়ই কোন লক্ষণ প্রকাশ পায় না, আবার মাঝে মধ্যে উপরোক্ত লক্ষণগুলোই দেখা যায়। তবে পরবর্তী পর্যায়েঃ

১. পেলভিস এবং শরীরের পেছনে নিম্নাঙ্গে এবং মাঝে মধ্যে অন্যান্য অংশে ব্যথা হয়।

কী করা উচিত

১. যদি রাতে বার বার পস্রাবের তাগিদ অনুভব করেন, সেক্ষেত্রে আপনার পানীয়ের তালিকা থেকে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় যেমন কফি, চা এবং এ্যালকোহল যুক্ত পানীয় যেমন বিয়ার, মদ ইত্যাদি ত্যাগ করুন, বিশেষত ঘুমোতে যাবার আগে এগুলো পান করবেন না।

২. উষ্ণ জলে স্নান করলে ব্যথা এবং অন্যান্য লক্ষণগুলোর সাময়ীক স্বস্তি মিলবে।

কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. যদি উপরোক্ত লক্ষণগুলো আপনার মধ্যে দেখা দেয়।

২. পঞ্চাশ ঊর্ধ্ব বয়সের পুরুষদের প্রতি বছরই তাদের মলনালীর পরীক্ষা করা উচিত যে গ্রন্থিতে কোন গোটা বা মাংসপিণ্ড তৈরি হয়েছে কি না। কিছু কিছু ডাক্তার আবার রক্ত পরীক্ষা করতেও দিয়ে থাকেন (এ পরীক্ষার নাম প্রস্টেট সেপসিফিক এন্টাইজেন, কিংবা পিএসএ পরীক্ষা) যেটা প্রোস্টেটের ক্যান্সার আছে কি না সেটা নিরূপণ করে।

৩. যেসব পুরুষের পরিবারের কারোর প্রস্টেট ক্যান্সার হয়েছে তাদের উচিত ৪০ বছর বয়সের পর থেকেই এই বার্ষিক টেস্ট করানো।

প্রস্টাটিটিজঃ

১. মূত্রনালীর যে কোন রোগ বা সংক্রমণ ছড়াবার আগেই চিকিৎসার ব্যবসহা গ্রহণ করুন।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

প্রস্টেটের বড় হয়ে যাওয়াঃ

১. এই রোগ প্রতিরোধের কোন জ্ঞাত উপায় নেই।

প্রস্টেট ক্যান্সারঃ

১. নিজের পরিবারে কারোর এই রোগ হয়েছিল কি না জানুন, যদি আপনার ভাইয়ের বা বাবার এই রোগ থেকে থাকে সেক্ষেত্রে একই রোগ হবার ঝুঁকি আপনার ক্ষেত্রে বেশি হবে।

২. পশু-পাখির চর্বি আহার বর্জন করুন।

Share on Facebook
Share on Twitter

Leave a Reply